
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মিরাজ শেখ অভিযোগকারীর পূর্বপরিচিত ও আত্মীয়। তাঁর ছোট জামাতা হোসে হাওলাদার (৩০) ও ভাই সাইফুল ইসলামকে সৌদি আরবে নেওয়া এবং এক সপ্তাহের মধ্যে আকামা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মিরাজ। এ জন্য মোট ১১ লাখ টাকা দেওয়ার চুক্তি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
সালমা বেগমের অভিযোগ, ২০২৬ সালের ২ মার্চ থেকে বিভিন্ন সময়ে মিরাজের নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁর স্ত্রী কেয়া আক্তারের কাছে চেক ও নগদ অর্থের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করেন তিনি। পরে ২৮ জুন তাঁর জামাতা ও ভাইকে সৌদি আরবে নেওয়া হলেও তাঁদের আকামা করে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, আকামার বিষয়ে জানতে মিরাজ শেখের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর স্ত্রী কেয়া আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখান বলে দাবি করেন সালমা বেগম। আকামা করে দেওয়া অথবা টাকা ফেরত চাইলে তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন সালমা বেগম।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিরাজ শেখ ও কেয়া আক্তারের বক্তব্য জানা যায়নি। তালা থানা পুলিশের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফল ও পুলিশের আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।