
চিকিৎসায় গাফিলতি ও বিধান চন্দ্রের অপারেশন পরিচালনা নিয়ে স্বজনদের অভিযোগ
সাতক্ষীরার তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে এক সপ্তাহের ব্যবধানে অপারেশনের পর দুই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। প্রথমে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশনের পর সাধন বিশ্বাস এবং পরে সিজারিয়ান অপারেশনের পর জবা দাসের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ক্লিনিকটির চিকিৎসাসেবা ও অপারেশন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মৃত জবা দাস তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়নের ঘোনা গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ আগস্ট তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে তাঁর সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। অপারেশন করেন ডা. আব্দুর রহমান সজল। পরে গত ২৫ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক সাড়ে ২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
পরিবারের অভিযোগ, অপারেশনের পর জবা দাসের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। চিকিৎসায় ভুল বা গাফিলতির কারণেই তাঁর অবস্থার অবনতি হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।
অন্যদিকে, সাধন বিশ্বাসের মৃত্যুর ঘটনায়ও চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ ওঠে। স্বজনদের অভিযোগ, ক্লিনিকটির ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসা কার্যক্রমে অনিয়মের পাশাপাশি বিধান চন্দ্র চিকিৎসক না হয়েও অপারেশন পরিচালনায় যুক্ত ছিলেন। এছাড়া ডা. আব্দুর রহমানের চিকিৎসা নিয়েও স্বজনরা অভিযোগ করেছেন।
সাধন বিশ্বাসের মৃত্যুর ঘটনার পর সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন তালা সার্জিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তি থাকা সকল রোগীকে দুই ঘণ্টার মধ্যে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেফার করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ক্লিনিকটি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। বর্তমানেও ক্লিনিকটি বন্ধ রয়েছে।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে এসব মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি হয়েছিল কি না এবং বিধান চন্দ্রের অপারেশন পরিচালনায় সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ও স্বাস্থ্য বিভাগের বক্তব্য নেওয়া হলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
ডেক্স রিপোর্ট 















