
তালা ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে পুরো এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা- ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে জল্পনা-কল্পনা। চায়ের দোকান, বাজার থেকে শুরু করে গ্রামের মোড়—সবখানেই এখন আলোচনার প্রধান বিষয় যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী নির্বাচন।
এই আলোচনার মধ্যেই বিশেষভাবে নজর কেড়েছেন দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরে আসা বিএনপি কর্মী ফারুক হোসেন জোয়ার্দ্দার। এলাকাবাসীর মতে, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক কর্মী নন, বরং সাধারণ মানুষের পাশে থাকা একজন মানবিক মুখ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃষ্টি হোক বা প্রচণ্ড রোদ—ফারুক জোয়ার্দ্দারের দেখা মেলে গ্রামের অলিগলিতে। কারো অসুস্থতার খবর পেলেই তিনি হাসপাতালে ছুটে যান, কোনো দরিদ্র পরিবার খাদ্য সংকটে পড়লে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। এছাড়া এলাকার মানুষের পারিবারিক ও সামাজিক নানা সমস্যায়ও তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছেন অনেকে।
এ বিষয়ে ফারুক হোসেন জোয়ার্দ্দার বলেন,
“চেয়ারম্যান হওয়া বড় কথা না, মানুষের দোয়া পাওয়াটাই বড় কথা। আমি পদ-পদবীর জন্য মানুষের পাশে দাঁড়াই না, আমি চাই মানুষ ভালো থাকুক।”
তার এই বক্তব্য ও সামাজিক কর্মকাণ্ড ধীরে ধীরে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে জানা গেছে। অনেকেই বলছেন, নির্বাচনের সময় নয়, বছরের প্রতিটি সময়ই তিনি মানুষের খোঁজখবর নেন। এমনকি গভীর রাতেও কোথাও সমস্যা হলে ফোন পেলেই ছুটে যান তিনি।
স্থানীয় এক চায়ের দোকানে বসে কথা বলার সময় এক প্রবীণ ব্যক্তি মন্তব্য করেন,
“অনেক নেতা ভোটের আগে আসে, পরে আর দেখা যায় না। কিন্তু ফারুক জোয়ার্দ্দার আলাদা, তিনি মানুষের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেন।”
এদিকে তার এসব জনমুখী কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নানা আলোচনা ও সমালোচনাও চলছে এলাকাজুড়ে। তবে এসবের মাঝেও তিনি নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ফারুক জোয়ার্দ্দার আরও বলেন,
“আমি চেয়ারম্যান হই বা না হই, জনগণের পাশে ছিলাম, আছি এবং সবসময় থাকবো ইনশাআল্লাহ।”
সব মিলিয়ে তালা ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি এখন একটি আলোচিত নাম। স্থানীয়দের কাছে তিনি কেবল একজন প্রার্থী নন, বরং আস্থার প্রতীক ও মানবিক একজন মানুষ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন।
ডেক্স রিপোর্ট 








