Dhaka ০২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সাতক্ষীরায় ঘুষ ছাড়া সেবা মিলত না নায়েব শর্মিষ্টার অফিসে দেখাতেন উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের দাপট! তালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশাল গণমিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত! তালায় রেজা ফুটবল একাদশের জার্সি ও লোগো উন্মোচন অনুষ্ঠিত তালায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুতের অভিযোগে দুই মিষ্টির দোকানকে ৮ হাজার টাকা জরিমানা তালায় বিশেষ অভিযানে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার আসামি গ্রেপ্তার তালার শিক্ষা জগতের বর্ষীয়ান ব্যক্তিত্ব মাওলানা আব্দুল মালেকের চিরবিদায় তালায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ তালায় শিক্ষাবিদ মাওলানা আব্দুল মালেক আর নেই সরুলিয়ার প্যানেল চেয়ারম্যান শেখ মাসুদ রানার বিরুদ্ধে নিম্নমানের সিসি ক্যামেরা স্থাপনের অভিযোগ, তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মাদক ও চুরি সিন্ডিকেটের মূলহোতা ছাত্রলীগ নেতা শুভ গ্রেপ্তার, ধরাছোঁয়ার বাইরে শাহবাজ!

সাতক্ষীরায় ঘুষ ছাড়া সেবা মিলত না নায়েব শর্মিষ্টার অফিসে দেখাতেন উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের দাপট!

  • ডেক্স রিপোর্ট
  • আপডেটের সময়: ০৯:৩৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩১ সময় দেখুন

মুখে পড়ে থাকেন সবসময় মাক্স আর সেই মাক্সের আড়ালের লুকানো রয়েছে ভয়ংকর ঘুষের চেহারা।বলছি সাতক্ষীরায় ভূমি জগতের শীর্ষ দুর্নীতিবাজ ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মাক্স লেডি শর্মিষ্ঠা সরকারের কথা। ঘুষ আর দুর্নীতির মহারাণী শর্মিষ্ঠা সরকার সুন্দর চেহারা দেখিয়ে সবসময় বাগিয়ে নেন ভালো কর্মস্থলগুলোতে পদায়ন । চাকরিজীবনে যেখানে গিয়েছে সেখানে গড়ে তুলেছে ঘুষের সিন্ডিকেট। চাকরি করেছেন ঘুষের অভয়ারণ্য কালিগঞ্জের মৌতলা, ভাড়াশিমলা, বসন্তপুর, সদরের আগরদাড়িতে। বর্তমানে ঘুষ কেলেঙ্কারি ও সাংবাদিকের সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার কারণে ফিংড়ী ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে । সাতক্ষীরা পৌর ভূমি অফিসে কর্মরত থাকাকালীন নামজারি, খাজনা দাখিলায় ছিল তার নিজের তৈরি দালাল সিন্ডিকেট। সে ছিল সদর ভূমি এসিল্যান্ড ও ভূমি অফিসের ঘুষ সিন্ডিকেটের প্রধান সেনাপতি।প্রতিটা নামজারি জন্য শর্মিষ্ঠা পায় ২ হাজার টাকা, একটি রির্পোট প্রদানে পায় ১-২ হাজার টাকা। ঝামলো পূর্ণ জমিতে বাগিয়ে নেন লাখ টাকা। তাছাড়া তৎকালীন সময়ে কালিগঞ্জের ভাড়াশিমলা ও বসন্তপুর ভূমি অফিসে চাকরিকরা কালীন নায়েব ইউনুস চিশতীর সাথে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। দুজনে মিলে খ তফসিল জমি নামজারি করে দেওয়ার নামে বিভিন্ন মানুষের থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, নায়েব শর্মিষ্ঠা ঘুষের টাকায় ক্রয় করেছে কালিগঞ্জে কোটি টাকা মূল্যর ৪ কাটা জমি, কয়েক বিঘা কৃষি জমি,ভারতের বশিরহাটে জমি ক্রয় করে বাড়ি নির্মাণ করেছে। তার বেতন ৩৫ হাজার হলেও মাসিক খরচ লাখ টাকার উপরে, কালিগঞ্জে ও শহরে দুটি বাসা ভাড়া ২০ হাজার, মাসিক পার্লার খরচ ৬ হাজার, গ্রামে মায়ের পরিবারের খরচ ১০ হাজার, মাসে ২/৩ বার প্রাইভেটকারে খুলনা কালিগঞ্জ যাতায়াতে ১০ হাজার, ড্রেস ক্রয় মাসিক ৫-৮ হাজার টাকা, সাংসারিক ব্যয় ১৫ হাজার, সন্তানকে উচ্চব্যয়ে পড়ালেখা করান। তার স্বামী বেকার পুরো পরিবার নায়েব শর্মিষ্ঠাকে চালাতে। বেতনের বাইরে তার খরচের উৎস্য হল ঘুষ। বর্তমানে জেলায় মানুষের কাছে ঘুষের মহারাণী খেতাব পেয়েছে।

নামপ্রকাশে অনেক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, এসিল্যান্ড বদরুদ্দোজার সাথে নায়েব শর্মিঁষ্ঠার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে যার কারণে নায়েব শর্মিঁষ্ঠা এসিল্যান্ডের অফিস রুমে, গাড়িতে সার্বক্ষনিক দেখা যেত। শুধু এসিল্যান্ডের সাথে ঘনিষ্ঠতার
বিষয়টি অফিস থেকে শুরু করে সাতক্ষীরা জেলার শহরে টপ অফ দা টাউনে পরিণত হয়েছে। সুচতুর শর্মিষ্ঠার তার অনিয়ম দুর্নীতি ঢাকতে এক গণমাধ্যম কর্মীর সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে পরোকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন মুস্তফা রায়হান নামের ওই গণমাধ্যম কর্মীর সাথে। রায়হান শর্মিঁষ্ঠার অবাধ মেলামেশার কলরের্কড অন্তরঙ্গ মুহুর্ত সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে ছড়িয়ে পড়ে। প্রেমের ফাঁদে ফেলে নায়েব শর্মিঁষ্ঠা তার নিকট থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন দামী দামী গিফট সহ নগদ অর্থ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সদর আদালতে রায়ে জমির নামজারির ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের আখড়াখোলার গীতা রানী আসেন সদর ভূমি অফিসে। তিনি প্রথমে যান সার্ভেয়ার তারেকের কাছে। তারেক পাঠান শর্মিষ্ঠার কাছে। তার নামজারির জন্য শর্মিষ্ঠা প্রথমে ২ লাখ টাকা দাবি করে। পরে মহিলা কান্নাকাটি করলে ১ লাখ টাকা চুক্তিতে নামজারির আশ্বাস দেন নায়েব শর্মিষ্ঠা। আর কথোপকথন ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে। ভুক্তভোগী গীতারানী নায়েব শর্মিষ্ঠার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন।

আরেক ভুক্তভোগী শহরের থানাঘাটা গ্রামের ফারুক হোসেন বলেন, নায়েব শর্মিষ্ঠা চরম ঘুষখোর। আমার একটি জমির ১৪৫ ধারা মামলার প্রতিবেদনের জন্য টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিতে অস্বীকার জানালে বিরোধীপক্ষ তাহের কাজির কাছে থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে তার পক্ষে প্রতিবেদন দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে তিনি সিল্যান্ড অফিসের ঘুষ দুর্নীতির বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনও করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শমিঁষ্ঠা সরকার বলেন, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সঠিক নয়। কতৃপক্ষ সব জানেন। তারা আমার বিষয়ে দেখবে । আমি মোটেও চিন্তিত নই। তিনি এসিল্যান্ডের সাথে ঘনিষ্ঠতার বিষয়সহ ঘুষ বাণিজ্য সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের বিষয়কটিও অস্বীকার করেন।

সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: বদরুদ্দোজা সাংবাদিকদের বলেন, আমার অফিসে ঘুষ বাণিজ্য চলে না। নায়েব শর্মিষ্ঠার কতৃপক্ষের নাম ভাঙালে এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। সে অপরাধ করলে শাস্তি পাবে। আমার অফিস এইভাবে কোন অনিয়ম দুর্নীতি হয়। নায়েব শর্মিষ্ঠা ঘুষের বিষয়ে আমরা খতিয়ে দেখব।

Tag :
জনপ্রিয় পোস্ট

সাতক্ষীরায় ঘুষ ছাড়া সেবা মিলত না নায়েব শর্মিষ্টার অফিসে দেখাতেন উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের দাপট!

সাতক্ষীরায় ঘুষ ছাড়া সেবা মিলত না নায়েব শর্মিষ্টার অফিসে দেখাতেন উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের দাপট!

আপডেটের সময়: ০৯:৩৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

মুখে পড়ে থাকেন সবসময় মাক্স আর সেই মাক্সের আড়ালের লুকানো রয়েছে ভয়ংকর ঘুষের চেহারা।বলছি সাতক্ষীরায় ভূমি জগতের শীর্ষ দুর্নীতিবাজ ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মাক্স লেডি শর্মিষ্ঠা সরকারের কথা। ঘুষ আর দুর্নীতির মহারাণী শর্মিষ্ঠা সরকার সুন্দর চেহারা দেখিয়ে সবসময় বাগিয়ে নেন ভালো কর্মস্থলগুলোতে পদায়ন । চাকরিজীবনে যেখানে গিয়েছে সেখানে গড়ে তুলেছে ঘুষের সিন্ডিকেট। চাকরি করেছেন ঘুষের অভয়ারণ্য কালিগঞ্জের মৌতলা, ভাড়াশিমলা, বসন্তপুর, সদরের আগরদাড়িতে। বর্তমানে ঘুষ কেলেঙ্কারি ও সাংবাদিকের সাথে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার কারণে ফিংড়ী ভূমি অফিসে বদলি করা হয়েছে । সাতক্ষীরা পৌর ভূমি অফিসে কর্মরত থাকাকালীন নামজারি, খাজনা দাখিলায় ছিল তার নিজের তৈরি দালাল সিন্ডিকেট। সে ছিল সদর ভূমি এসিল্যান্ড ও ভূমি অফিসের ঘুষ সিন্ডিকেটের প্রধান সেনাপতি।প্রতিটা নামজারি জন্য শর্মিষ্ঠা পায় ২ হাজার টাকা, একটি রির্পোট প্রদানে পায় ১-২ হাজার টাকা। ঝামলো পূর্ণ জমিতে বাগিয়ে নেন লাখ টাকা। তাছাড়া তৎকালীন সময়ে কালিগঞ্জের ভাড়াশিমলা ও বসন্তপুর ভূমি অফিসে চাকরিকরা কালীন নায়েব ইউনুস চিশতীর সাথে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। দুজনে মিলে খ তফসিল জমি নামজারি করে দেওয়ার নামে বিভিন্ন মানুষের থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, নায়েব শর্মিষ্ঠা ঘুষের টাকায় ক্রয় করেছে কালিগঞ্জে কোটি টাকা মূল্যর ৪ কাটা জমি, কয়েক বিঘা কৃষি জমি,ভারতের বশিরহাটে জমি ক্রয় করে বাড়ি নির্মাণ করেছে। তার বেতন ৩৫ হাজার হলেও মাসিক খরচ লাখ টাকার উপরে, কালিগঞ্জে ও শহরে দুটি বাসা ভাড়া ২০ হাজার, মাসিক পার্লার খরচ ৬ হাজার, গ্রামে মায়ের পরিবারের খরচ ১০ হাজার, মাসে ২/৩ বার প্রাইভেটকারে খুলনা কালিগঞ্জ যাতায়াতে ১০ হাজার, ড্রেস ক্রয় মাসিক ৫-৮ হাজার টাকা, সাংসারিক ব্যয় ১৫ হাজার, সন্তানকে উচ্চব্যয়ে পড়ালেখা করান। তার স্বামী বেকার পুরো পরিবার নায়েব শর্মিষ্ঠাকে চালাতে। বেতনের বাইরে তার খরচের উৎস্য হল ঘুষ। বর্তমানে জেলায় মানুষের কাছে ঘুষের মহারাণী খেতাব পেয়েছে।

নামপ্রকাশে অনেক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, এসিল্যান্ড বদরুদ্দোজার সাথে নায়েব শর্মিঁষ্ঠার ঘনিষ্ঠতা রয়েছে যার কারণে নায়েব শর্মিঁষ্ঠা এসিল্যান্ডের অফিস রুমে, গাড়িতে সার্বক্ষনিক দেখা যেত। শুধু এসিল্যান্ডের সাথে ঘনিষ্ঠতার
বিষয়টি অফিস থেকে শুরু করে সাতক্ষীরা জেলার শহরে টপ অফ দা টাউনে পরিণত হয়েছে। সুচতুর শর্মিষ্ঠার তার অনিয়ম দুর্নীতি ঢাকতে এক গণমাধ্যম কর্মীর সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে পরোকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন মুস্তফা রায়হান নামের ওই গণমাধ্যম কর্মীর সাথে। রায়হান শর্মিঁষ্ঠার অবাধ মেলামেশার কলরের্কড অন্তরঙ্গ মুহুর্ত সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে ছড়িয়ে পড়ে। প্রেমের ফাঁদে ফেলে নায়েব শর্মিঁষ্ঠা তার নিকট থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন দামী দামী গিফট সহ নগদ অর্থ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সদর আদালতে রায়ে জমির নামজারির ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের আখড়াখোলার গীতা রানী আসেন সদর ভূমি অফিসে। তিনি প্রথমে যান সার্ভেয়ার তারেকের কাছে। তারেক পাঠান শর্মিষ্ঠার কাছে। তার নামজারির জন্য শর্মিষ্ঠা প্রথমে ২ লাখ টাকা দাবি করে। পরে মহিলা কান্নাকাটি করলে ১ লাখ টাকা চুক্তিতে নামজারির আশ্বাস দেন নায়েব শর্মিষ্ঠা। আর কথোপকথন ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে। ভুক্তভোগী গীতারানী নায়েব শর্মিষ্ঠার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবি করেন।

আরেক ভুক্তভোগী শহরের থানাঘাটা গ্রামের ফারুক হোসেন বলেন, নায়েব শর্মিষ্ঠা চরম ঘুষখোর। আমার একটি জমির ১৪৫ ধারা মামলার প্রতিবেদনের জন্য টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিতে অস্বীকার জানালে বিরোধীপক্ষ তাহের কাজির কাছে থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে তার পক্ষে প্রতিবেদন দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে তিনি সিল্যান্ড অফিসের ঘুষ দুর্নীতির বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনও করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শমিঁষ্ঠা সরকার বলেন, আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো সঠিক নয়। কতৃপক্ষ সব জানেন। তারা আমার বিষয়ে দেখবে । আমি মোটেও চিন্তিত নই। তিনি এসিল্যান্ডের সাথে ঘনিষ্ঠতার বিষয়সহ ঘুষ বাণিজ্য সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের বিষয়কটিও অস্বীকার করেন।

সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: বদরুদ্দোজা সাংবাদিকদের বলেন, আমার অফিসে ঘুষ বাণিজ্য চলে না। নায়েব শর্মিষ্ঠার কতৃপক্ষের নাম ভাঙালে এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। সে অপরাধ করলে শাস্তি পাবে। আমার অফিস এইভাবে কোন অনিয়ম দুর্নীতি হয়। নায়েব শর্মিষ্ঠা ঘুষের বিষয়ে আমরা খতিয়ে দেখব।