Dhaka ০৯:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের শেকড় সাতক্ষীরার তালার উথালী গ্রামে, মহালয়ায় আলোচনায় পৈতৃক ভিটা মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে যুবকদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ চট্টগ্রামে বাসের সিট থেকে তালার খলিষখালির আব্দুল গফুরের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ অজানা! রামপাল থানার ওসি শেখ রাজিব আল রশিদের ইন্তেকাল চ্যানেল এস’র সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা প্রতিনিধি হলেন শামীম খান তালায় মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে পুলিশকে অবরুদ্ধ, ওসির হস্তক্ষেপে মুক্ত—আটক ৩ খুলনা বিভাগের ভিতরে সেরা প্রতিমা শ্যামনগরে ২৫ ফুটের উচ্চতা দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় তালা সদর ইউনিয়নকে মাদক-জুয়া মুক্ত রাখতে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট হাজরাকাটি ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও আলোচনা সভা তালা উপজেলা নির্বাহী কার্যালয় এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও সিগারেট বিক্রি-সেবনে ২ জনকে জরিমানা

তালা বিআরডিবিতে অনিয়মের অভিযোগ: নারায়ণ চন্দ্রের আমলে বাড়ছে কিস্তি খেলাপি, ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিযোগে নতুন তথ্য — পর্ব–২

  • শামীম খান
  • আপডেটের সময়: ০৪:২৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • ৫০৩ সময় দেখুন

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) নারায়ণ চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বিআরডিবিতে অনিয়ম ও বিধি-বিধান লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত মাসিক সভা বন্ধ রয়েছে, উদ্যোক্তা ঋণ বিতরণে অনিয়ম বেড়েছে এবং কিস্তি খেলাপির হারও উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ বিষয়ে বিআরডিবির ব্যবস্থাপনা কমিটির বর্তমান পরিচালক আব্দুল্লাহ গোলদার বলেন, নারায়ণ চন্দ্র সরকার যোগদানের পর থেকে নিয়মিত মাসিক সভা কার্যত বন্ধ রয়েছে। তাদের অভিযোগ, সভা না হলেও সভা বাবদ বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। মাঝে মধ্যে দুই-একটি সভা হলেও সেখানে কমিটির সদস্যদের প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করা হয় না। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা সদস্যদের না জানিয়েই উপস্থাপন বা নিষ্পত্তি করা হয়, যা বিআরডিবির বিধি-বিধানের পরিপন্থী।
এনায়েতপুর-১ সমিতির ঋণ কার্যক্রমে সরকারের নির্ধারিত শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তার দাবি, প্রয়োজনীয় পাসবই, সভার রেজুলেশন, সদস্যদের শেয়ার ও সঞ্চয় জমাসহ নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করেই ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া তাকে অবহিত না করেই ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং পূর্বে নেওয়া তার স্বাক্ষরের কপি ব্যবহার করে নথিপত্র প্রস্তুতেরও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগকারীরা আরও বলেন, উদ্যোক্তা ঋণের রেজিস্টার ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, যাদের ঋণ দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে অধিকাংশই নির্ধারিত যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করেননি। ফলে এসব ঋণের একটি বড় অংশ খেলাপিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের মতে, প্রায় ৫০ শতাংশ ঋণ আদায় না হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা উদ্যোক্তা ঋণ তহবিলের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র সরকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে অভিযোগের বিভিন্ন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেননি।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

জনপ্রিয় পোস্ট

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের শেকড় সাতক্ষীরার তালার উথালী গ্রামে, মহালয়ায় আলোচনায় পৈতৃক ভিটা

তালা বিআরডিবিতে অনিয়মের অভিযোগ: নারায়ণ চন্দ্রের আমলে বাড়ছে কিস্তি খেলাপি, ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিযোগে নতুন তথ্য — পর্ব–২

আপডেটের সময়: ০৪:২৪:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

সাতক্ষীরার তালা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) নারায়ণ চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে বিআরডিবিতে অনিয়ম ও বিধি-বিধান লঙ্ঘনের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত মাসিক সভা বন্ধ রয়েছে, উদ্যোক্তা ঋণ বিতরণে অনিয়ম বেড়েছে এবং কিস্তি খেলাপির হারও উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ বিষয়ে বিআরডিবির ব্যবস্থাপনা কমিটির বর্তমান পরিচালক আব্দুল্লাহ গোলদার বলেন, নারায়ণ চন্দ্র সরকার যোগদানের পর থেকে নিয়মিত মাসিক সভা কার্যত বন্ধ রয়েছে। তাদের অভিযোগ, সভা না হলেও সভা বাবদ বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। মাঝে মধ্যে দুই-একটি সভা হলেও সেখানে কমিটির সদস্যদের প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপন করা হয় না। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা সদস্যদের না জানিয়েই উপস্থাপন বা নিষ্পত্তি করা হয়, যা বিআরডিবির বিধি-বিধানের পরিপন্থী।
এনায়েতপুর-১ সমিতির ঋণ কার্যক্রমে সরকারের নির্ধারিত শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। তার দাবি, প্রয়োজনীয় পাসবই, সভার রেজুলেশন, সদস্যদের শেয়ার ও সঞ্চয় জমাসহ নির্ধারিত শর্ত পূরণ না করেই ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া তাকে অবহিত না করেই ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে এবং পূর্বে নেওয়া তার স্বাক্ষরের কপি ব্যবহার করে নথিপত্র প্রস্তুতেরও অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগকারীরা আরও বলেন, উদ্যোক্তা ঋণের রেজিস্টার ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, যাদের ঋণ দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে অধিকাংশই নির্ধারিত যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করেননি। ফলে এসব ঋণের একটি বড় অংশ খেলাপিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের মতে, প্রায় ৫০ শতাংশ ঋণ আদায় না হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা উদ্যোক্তা ঋণ তহবিলের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র সরকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে অভিযোগের বিভিন্ন বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেননি।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিষয়গুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।