
সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার ৮৮ নম্বর মাঝিয়াড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা রহিমা বেগমের বিরুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহত শিক্ষার্থী রিয়াদ হোসেনের কানে আঘাত লেগে রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার পরিবার।
আহত শিক্ষার্থী রিয়াদ হোসেনের বাবা সেলিম সরদার জানান, প্রতিদিনের মতো গত সোমবার (২৯ জুন) দুপুর প্রায় ২টার দিকে তার ছেলে বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল। এ সময় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা রহিমা বেগম তার ছেলের কানে আঘাত করলে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরে দ্রুত তাকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে সে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “এ ঘটনায় আমরা এখনো কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি। কারণ ঘটনার পর শিক্ষিকা নিজে আমাদের কাছে এসে ক্ষমা চেয়েছেন।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা রহিমা বেগম বলেন, “আমি কোনো শিক্ষার্থীর গায়ে হাত দিইনি। এমন কোনো ঘটনাই আমার বিদ্যালয়ে ঘটেনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা দাবি করেন, এর আগেও ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে শাস্তি দেওয়া, ডাস্টার ছুড়ে মারা এবং অসদাচরণের মতো বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছিল।
এবিষয়ে তালা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার সন্তোষ কুমার পাল জানান এবিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ দেয়নি অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্ব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
জহর হাসান সাগর 








