Dhaka ০২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
ডা: মো. মোকলেছুর রহমানকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর দাবি সংশ্লিষ্টদের তালায় পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই বছরের শিশু স্বাক্ষরের সাতক্ষীরা তালার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মিজানুর সকল মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন, দ্রুত অপসারণের দাবি। তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার রাইহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী: চিকিৎসকের পোস্টে তুমুল সমালোচনা ডুমুরিয়ার ১৮ মাইলে ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল মোটরসাইকেল, নিহত ২ সুন্দরবন উপকূলসংলগ্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন তালায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারআবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম তালায় জন্মনিবন্ধন নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগ, শহীদুল ইসলামকে জড়িয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ শ্যামনগরে পুলিশ সুপারের বিভিন্ন পূঁজা মন্ডপ পরিদর্শন

ডা: মো. মোকলেছুর রহমানকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর দাবি সংশ্লিষ্টদের

  • ডেক্স রিপোর্ট
  • আপডেটের সময়: ০৮:০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭১ সময় দেখুন

প্রকৃত ঘটনা যাচাই না করে ডাঃ মো. মোকলেছুর রহমানকে জড়িয়ে নবজাতকের মৃত্যু ও মায়ের জীবনঝুঁকি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ভিত্তিহীন ও অসম্পূর্ণ তথ্য ছড়িয়ে একজন চিকিৎসকের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন নবজাতকের মা তরুণা, ওটিতে দায়িত্বে থাকা নার্স কেয়া এবং করুণা ক্লিনিক অ্যান্ড মানস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক কিশোর কুমার দাস।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, গত ২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পাইকগাছার কপিলমুনি এলাকার করুণা ক্লিনিক অ্যান্ড মানস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তরুণা নামের এক রোগীর সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। জন্মের পর নবজাতকটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক দিন পর নবজাতকটির মৃত্যু হয়।

নবজাতকের মা তরুণা বলেন, ডেলিভারির পর বাচ্চাটিকে অসুস্থ দেখে সাতক্ষীরা মেডিকেলে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হলে বাচ্চাটি মারা যায়। তাঁর ভাষ্য, এ ঘটনায় চিকিৎসকের কোনো দোষ নেই।

ওটিতে দায়িত্বে থাকা কেয়া নার্স জানান, তরুণার ডেলিভারি ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে রোগীর সেলাইও কাটা হয়েছে। তাঁর মতে, ডেলিভারি ও চিকিৎসাসেবা নিয়ে রোগীর পরিবারের ক্লিনিক বা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকার কথা নয়।

করুণা ক্লিনিক অ্যান্ড মানস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক কিশোর কুমার দাস বলেন, “আমার ক্লিনিকে কোনো নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। একটি কুচক্রী মহল ক্লিনিক ও চিকিৎসককে জড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।” তাঁর দাবি, যাচাই-বাছাই ছাড়া এমন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং চিকিৎসকের সুনাম ক্ষুণ্ন করা অনভিপ্রেত।

ডা: মো. মোকলেছুর রহমান জানান, নবজাতকের স্বজনদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের কাছ থেকে তাঁরা জানতে পারেন, নবজাতকটির হৃদ্‌যন্ত্রে ছিদ্র থাকায় তার মৃত্যু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা চিকিৎসা নথি পাওয়া যায়নি।

মায়ের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মো. মোকলেছুর রহমান জানান, তরুণা সুস্থ হয়ে গত ২৪ অক্টোবর বাড়িতে ফিরে গেছেন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, মায়ের জীবনঝুঁকি নিয়ে প্রচারিত তথ্যের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে দোষারোপ করা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা দায়িত্বশীল আচরণ নয়। তাই ঘটনার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা নথি, কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

জনপ্রিয় পোস্ট

ডা: মো. মোকলেছুর রহমানকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর দাবি সংশ্লিষ্টদের

ডা: মো. মোকলেছুর রহমানকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর দাবি সংশ্লিষ্টদের

আপডেটের সময়: ০৮:০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

প্রকৃত ঘটনা যাচাই না করে ডাঃ মো. মোকলেছুর রহমানকে জড়িয়ে নবজাতকের মৃত্যু ও মায়ের জীবনঝুঁকি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ভিত্তিহীন ও অসম্পূর্ণ তথ্য ছড়িয়ে একজন চিকিৎসকের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন নবজাতকের মা তরুণা, ওটিতে দায়িত্বে থাকা নার্স কেয়া এবং করুণা ক্লিনিক অ্যান্ড মানস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক কিশোর কুমার দাস।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য অনুযায়ী, গত ২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পাইকগাছার কপিলমুনি এলাকার করুণা ক্লিনিক অ্যান্ড মানস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তরুণা নামের এক রোগীর সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। জন্মের পর নবজাতকটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক দিন পর নবজাতকটির মৃত্যু হয়।

নবজাতকের মা তরুণা বলেন, ডেলিভারির পর বাচ্চাটিকে অসুস্থ দেখে সাতক্ষীরা মেডিকেলে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হলে বাচ্চাটি মারা যায়। তাঁর ভাষ্য, এ ঘটনায় চিকিৎসকের কোনো দোষ নেই।

ওটিতে দায়িত্বে থাকা কেয়া নার্স জানান, তরুণার ডেলিভারি ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে রোগীর সেলাইও কাটা হয়েছে। তাঁর মতে, ডেলিভারি ও চিকিৎসাসেবা নিয়ে রোগীর পরিবারের ক্লিনিক বা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকার কথা নয়।

করুণা ক্লিনিক অ্যান্ড মানস ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক কিশোর কুমার দাস বলেন, “আমার ক্লিনিকে কোনো নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। একটি কুচক্রী মহল ক্লিনিক ও চিকিৎসককে জড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।” তাঁর দাবি, যাচাই-বাছাই ছাড়া এমন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং চিকিৎসকের সুনাম ক্ষুণ্ন করা অনভিপ্রেত।

ডা: মো. মোকলেছুর রহমান জানান, নবজাতকের স্বজনদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের কাছ থেকে তাঁরা জানতে পারেন, নবজাতকটির হৃদ্‌যন্ত্রে ছিদ্র থাকায় তার মৃত্যু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা চিকিৎসা নথি পাওয়া যায়নি।

মায়ের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মো. মোকলেছুর রহমান জানান, তরুণা সুস্থ হয়ে গত ২৪ অক্টোবর বাড়িতে ফিরে গেছেন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, মায়ের জীবনঝুঁকি নিয়ে প্রচারিত তথ্যের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে দোষারোপ করা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা দায়িত্বশীল আচরণ নয়। তাই ঘটনার প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসা নথি, কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।