
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ৩৭ নম্বর ঘোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী সৈয়দ রিন্টুর বিরুদ্ধে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জালিয়াতি ও অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগকারী সাইফুল ইসলামের দাবি, তিনি ২০০৯ সালে ওই বিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী ছিলেন। পরবর্তীতে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের প্রয়োজন হলে তিনি বিদ্যালয়ে যান। এ সময় নৈশপ্রহরী সৈয়দ রিন্টু সনদপত্র দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছে ৬৬০ টাকা দাবি করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা দেওয়ার পর এক ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে একটি সনদপত্র দেওয়া হয়।
সাইফুল ইসলামের দাবি, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের জন্য তালা উপজেলা নির্বাচন অফিসে সনদপত্রটি জমা দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সেটিকে জাল বলে জানান। পরে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি ওই সনদপত্র প্রদান করেননি বলে জানতে পারেন বলে অভিযোগকারীর দাবি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানান, তিনি এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। তবে বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনেছেন। অভিযুক্ত নৈশপ্রহরীকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বলে জানান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক।
অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি জানতে সৈয়দ রিন্টুর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।
অভিযোগকারী সাইফুল ইসলাম বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তালা উপজেলা প্রতিনিধি 












