Dhaka ০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সৌদি আরবে নেওয়ার নামে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! পর্ব -১ ভাতিজা বলে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানালেন এমপি ইজ্জত উল্লাহ ডা: মো. মোকলেছুর রহমানকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর দাবি সংশ্লিষ্টদের তালায় পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই বছরের শিশু স্বাক্ষরের সাতক্ষীরা তালার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মিজানুর সকল মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন, দ্রুত অপসারণের দাবি। তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার রাইহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী: চিকিৎসকের পোস্টে তুমুল সমালোচনা ডুমুরিয়ার ১৮ মাইলে ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল মোটরসাইকেল, নিহত ২ সুন্দরবন উপকূলসংলগ্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন তালায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারআবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম

সৌদি আরবে নেওয়ার নামে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! পর্ব -১

  • ডেক্স রিপোর্ট
  • আপডেটের সময়: ১১:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮৭ সময় দেখুন

সৌদি আরবে নেওয়া ও আকামা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাতক্ষীরার তালা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার বাসিন্দা সালমা বেগম (৫১)। গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তিনি মিরাজ শেখ (৪০) ও তাঁর স্ত্রী কেয়া আক্তারের (৩২) বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মিরাজ শেখ অভিযোগকারীর পূর্বপরিচিত ও আত্মীয়। তাঁর ছোট জামাতা হোসে হাওলাদার (৩০) ও ভাই সাইফুল ইসলামকে সৌদি আরবে নেওয়া এবং এক সপ্তাহের মধ্যে আকামা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মিরাজ। এ জন্য মোট ১১ লাখ টাকা দেওয়ার চুক্তি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সালমা বেগমের অভিযোগ, ২০২৬ সালের ২ মার্চ থেকে বিভিন্ন সময়ে মিরাজের নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁর স্ত্রী কেয়া আক্তারের কাছে চেক ও নগদ অর্থের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করেন তিনি। পরে ২৮ জুন তাঁর জামাতা ও ভাইকে সৌদি আরবে নেওয়া হলেও তাঁদের আকামা করে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, আকামার বিষয়ে জানতে মিরাজ শেখের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর স্ত্রী কেয়া আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখান বলে দাবি করেন সালমা বেগম। আকামা করে দেওয়া অথবা টাকা ফেরত চাইলে তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন সালমা বেগম।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিরাজ শেখ ও কেয়া আক্তারের বক্তব্য জানা যায়নি। তালা থানা পুলিশের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফল ও পুলিশের আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

জনপ্রিয় পোস্ট

সৌদি আরবে নেওয়ার নামে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! পর্ব -১

সৌদি আরবে নেওয়ার নামে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! পর্ব -১

আপডেটের সময়: ১১:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

সৌদি আরবে নেওয়া ও আকামা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাতক্ষীরার তালা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার বাসিন্দা সালমা বেগম (৫১)। গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে তিনি মিরাজ শেখ (৪০) ও তাঁর স্ত্রী কেয়া আক্তারের (৩২) বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মিরাজ শেখ অভিযোগকারীর পূর্বপরিচিত ও আত্মীয়। তাঁর ছোট জামাতা হোসে হাওলাদার (৩০) ও ভাই সাইফুল ইসলামকে সৌদি আরবে নেওয়া এবং এক সপ্তাহের মধ্যে আকামা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মিরাজ। এ জন্য মোট ১১ লাখ টাকা দেওয়ার চুক্তি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সালমা বেগমের অভিযোগ, ২০২৬ সালের ২ মার্চ থেকে বিভিন্ন সময়ে মিরাজের নির্দেশনা অনুযায়ী তাঁর স্ত্রী কেয়া আক্তারের কাছে চেক ও নগদ অর্থের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করেন তিনি। পরে ২৮ জুন তাঁর জামাতা ও ভাইকে সৌদি আরবে নেওয়া হলেও তাঁদের আকামা করে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, আকামার বিষয়ে জানতে মিরাজ শেখের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। পরে তাঁর স্ত্রী কেয়া আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বিভিন্ন অজুহাত দেখান বলে দাবি করেন সালমা বেগম। আকামা করে দেওয়া অথবা টাকা ফেরত চাইলে তাঁকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন সালমা বেগম।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত মিরাজ শেখ ও কেয়া আক্তারের বক্তব্য জানা যায়নি। তালা থানা পুলিশের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফল ও পুলিশের আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।