Dhaka ০৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সৌদি আরবে নেওয়ার নামে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! পর্ব -১ ভাতিজা বলে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানালেন এমপি ইজ্জত উল্লাহ ডা: মো. মোকলেছুর রহমানকে জড়িয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর দাবি সংশ্লিষ্টদের তালায় পানিতে ডুবে প্রাণ গেল দুই বছরের শিশু স্বাক্ষরের সাতক্ষীরা তালার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মিজানুর সকল মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন, দ্রুত অপসারণের দাবি। তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার রাইহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী: চিকিৎসকের পোস্টে তুমুল সমালোচনা ডুমুরিয়ার ১৮ মাইলে ইমাদ পরিবহনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল মোটরসাইকেল, নিহত ২ সুন্দরবন উপকূলসংলগ্ন পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন তালায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারআবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম

তালা উপজেলা বিআরডিবি পরিদর্শক নাজমুলের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, এবার বিলাসবহুল বাড়ি নিয়েও আলোচনা (পর্ব–২)

  • ডেক্স রিপোর্ট
  • আপডেটের সময়: ০৩:০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ৮৫১ সময় দেখুন

বিভিন্ন আর্থিক ও দাপ্তরিক অনিয়মের অভিযোগে আলোচিত তালা উপজেলা বিআরডিবির পরিদর্শক মো. নাজমুল হোসেনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে তার নির্মাণাধীন বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও সেসব অভিযোগের সুষ্ঠু নিষ্পত্তি ও তদন্তের ফলাফল প্রকাশ না হওয়ায় এখন তার সম্পদ ও জীবনযাপন নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এর আগে কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যদের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ গ্রহণ, সদস্যদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থ যথাসময়ে ব্যাংকে জমা না দেওয়া, দাপ্তরিক দায়িত্বে অনিয়ম এবং দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও নথিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

এদিকে সম্প্রতি নির্মাণাধীন একটি বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, একজন পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তার পরিচিত আয়ের সঙ্গে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সামঞ্জস্য কতটুকু। তবে বাড়িটি নির্মাণে ব্যবহৃত অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অতীতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পাশাপাশি সম্পদের উৎস সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই হওয়া উচিত। তাদের মতে, একটি স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরা হলে সব ধরনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটবে।

স্থানীয়দের একাংশ আরও জানান, এ ধরনের সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে, অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্য উদঘাটনে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর মতো দায়িত্বশীল সংস্থার মাধ্যমে অনুসন্ধান করা হলে বিষয়টি আরও স্বচ্ছভাবে সামনে আসবে এবং জনমনে তৈরি হওয়া প্রশ্নগুলোরও সুরাহা হবে।

এ বিষয়ে বিআরডিবির আরেকজন পরিদর্শক (মূল) সম্রাট চক্রবর্ত্তী বলেন, “নাজমুল দাদন ব্যবসা করে। এছাড়া অফিসে আমাদের ওপর নানা ধরনের চাপ ও হয়রানিমূলক আচরণ করে।”

তবে প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত এ বিষয়ে নাজমুল হোসেনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চলবে… (পর্ব–৩ এ থাকছে: সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, অভিযোগের অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য)।

জনপ্রিয় পোস্ট

সৌদি আরবে নেওয়ার নামে ১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ! পর্ব -১

তালা উপজেলা বিআরডিবি পরিদর্শক নাজমুলের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, এবার বিলাসবহুল বাড়ি নিয়েও আলোচনা (পর্ব–২)

আপডেটের সময়: ০৩:০৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

বিভিন্ন আর্থিক ও দাপ্তরিক অনিয়মের অভিযোগে আলোচিত তালা উপজেলা বিআরডিবির পরিদর্শক মো. নাজমুল হোসেনকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে তার নির্মাণাধীন বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও সেসব অভিযোগের সুষ্ঠু নিষ্পত্তি ও তদন্তের ফলাফল প্রকাশ না হওয়ায় এখন তার সম্পদ ও জীবনযাপন নিয়েও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এর আগে কৃষক সমবায় সমিতির সদস্যদের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ গ্রহণ, সদস্যদের কাছ থেকে আদায়কৃত অর্থ যথাসময়ে ব্যাংকে জমা না দেওয়া, দাপ্তরিক দায়িত্বে অনিয়ম এবং দীর্ঘ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। অভিযোগগুলোর বিষয়ে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলেও নথিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

এদিকে সম্প্রতি নির্মাণাধীন একটি বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন, একজন পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তার পরিচিত আয়ের সঙ্গে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণের সামঞ্জস্য কতটুকু। তবে বাড়িটি নির্মাণে ব্যবহৃত অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অতীতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পাশাপাশি সম্পদের উৎস সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই হওয়া উচিত। তাদের মতে, একটি স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরা হলে সব ধরনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটবে।

স্থানীয়দের একাংশ আরও জানান, এ ধরনের সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তাদের মতে, অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্য উদঘাটনে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর মতো দায়িত্বশীল সংস্থার মাধ্যমে অনুসন্ধান করা হলে বিষয়টি আরও স্বচ্ছভাবে সামনে আসবে এবং জনমনে তৈরি হওয়া প্রশ্নগুলোরও সুরাহা হবে।

এ বিষয়ে বিআরডিবির আরেকজন পরিদর্শক (মূল) সম্রাট চক্রবর্ত্তী বলেন, “নাজমুল দাদন ব্যবসা করে। এছাড়া অফিসে আমাদের ওপর নানা ধরনের চাপ ও হয়রানিমূলক আচরণ করে।”

তবে প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত এ বিষয়ে নাজমুল হোসেনের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

চলবে… (পর্ব–৩ এ থাকছে: সংশ্লিষ্ট নথিপত্র, অভিযোগের অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য)।