Dhaka ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
তালায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শিক্ষক ইস্টম কুমার দাশ সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, প্রায় সাড়ে ১৯ লাখ টাকার চোরাচালানী মালামাল জব্দ তালা সরকারি স্কুলের অফিস সহকারীসহ ৩ মাদকসেবী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড ​তালা টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তালায় আইন-শৃঙ্খলা, ঈদ প্রস্তুতি, সমন্বয়, চামড়া বাজারজাতকরণ ও এলপিজি গ্যাস বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবকের ওপর হামলা, তালা থানায় লিখিত অভিযোগ হরমুজ প্রণালিতে মাইন শনাক্তের দাবি, উদ্বেগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা শ্রেণিকক্ষে অনৈতিক আচরণের অভিযোগে জবির দুই শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার পেল ‘তাইওয়ান ট্রাভেলগ’, ইতিহাস গড়ল মান্দারিন ভাষার উপন্যাস ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, ভ্যাপসা গরমে বাড়তে পারে অস্বস্তি

তালায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শিক্ষক ইস্টম কুমার দাশ

  • ডেক্স রিপোর্ট
  • আপডেটের সময়: ০৮:২৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • ১৮১ সময় দেখুন

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইস্টম কুমার দাশের বিরুদ্ধে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যক্তি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তালা উপজেলার হরিনগর এলাকার বাসিন্দা আনান মোহন দাসের স্ত্রীকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন ইস্টম কুমার দাশ। চাকরির কথা বলে বিভিন্ন সময়ে মোট ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  যুক্তরাষ্ট্র-নাইজেরিয়ার যৌথ অভিযানে নিহত ১৭৫ আইএস জঙ্গি

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৬ মে ৩ লাখ টাকা, ২০২০ সালের ২৭ মে ২ লাখ টাকা এবং ২০২২ সালের ১৬ মে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়াও অভিযুক্ত শিক্ষক সাদা চেক, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও মূল সনদপত্র গ্রহণ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার পেল ‘তাইওয়ান ট্রাভেলগ’, ইতিহাস গড়ল মান্দারিন ভাষার উপন্যাস

ভুক্তভোগী আনান মোহন দাস অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরি না হওয়ায় তিনি টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক নানা টালবাহানা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এছাড়া এ ঘটনায় তালা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযোগগুলোর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  বেইজিংয়ে শি জিনপিং–ভ্লাদিমির পুতিন বৈঠক শুরু

এবিষয়ে তালা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার সন্তোষ কুমার পাল জানান, “বিষয়টি আমি অবগত আছি। তার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তিনটি অভিযোগ ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে। অভিযোগগুলো তদন্তাধীন আছে।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইস্টম কুমার দাশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

জনপ্রিয় পোস্ট

তালায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শিক্ষক ইস্টম কুমার দাশ

তালায় চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শিক্ষক ইস্টম কুমার দাশ

আপডেটের সময়: ০৮:২৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ফতেপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইস্টম কুমার দাশের বিরুদ্ধে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যক্তি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তালা উপজেলার হরিনগর এলাকার বাসিন্দা আনান মোহন দাসের স্ত্রীকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন ইস্টম কুমার দাশ। চাকরির কথা বলে বিভিন্ন সময়ে মোট ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, কয়েক জেলায় সতর্ক সংকেত

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৬ মে ৩ লাখ টাকা, ২০২০ সালের ২৭ মে ২ লাখ টাকা এবং ২০২২ সালের ১৬ মে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা প্রদান করা হয়। এছাড়াও অভিযুক্ত শিক্ষক সাদা চেক, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ও মূল সনদপত্র গ্রহণ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ  ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়াতে নানা প্রকল্প চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভুক্তভোগী আনান মোহন দাস অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরি না হওয়ায় তিনি টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক নানা টালবাহানা করতে থাকেন। এক পর্যায়ে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এছাড়া এ ঘটনায় তালা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযোগগুলোর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুনঃ  গোপালগঞ্জ রুটে নতুন দুইটি ট্রেন চালুর উদ্যোগ

এবিষয়ে তালা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার সন্তোষ কুমার পাল জানান, “বিষয়টি আমি অবগত আছি। তার বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তিনটি অভিযোগ ইতোমধ্যে চলমান রয়েছে। অভিযোগগুলো তদন্তাধীন আছে।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইস্টম কুমার দাশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।