Dhaka ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের শেকড় সাতক্ষীরার তালার উথালী গ্রামে, মহালয়ায় আলোচনায় পৈতৃক ভিটা মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে যুবকদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ চট্টগ্রামে বাসের সিট থেকে তালার খলিষখালির আব্দুল গফুরের মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ অজানা! রামপাল থানার ওসি শেখ রাজিব আল রশিদের ইন্তেকাল চ্যানেল এস’র সাতক্ষীরা সিনিয়র জেলা প্রতিনিধি হলেন শামীম খান তালায় মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে ‘মব’ সৃষ্টি করে পুলিশকে অবরুদ্ধ, ওসির হস্তক্ষেপে মুক্ত—আটক ৩ খুলনা বিভাগের ভিতরে সেরা প্রতিমা শ্যামনগরে ২৫ ফুটের উচ্চতা দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় তালা সদর ইউনিয়নকে মাদক-জুয়া মুক্ত রাখতে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট হাজরাকাটি ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও আলোচনা সভা তালা উপজেলা নির্বাহী কার্যালয় এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ও সিগারেট বিক্রি-সেবনে ২ জনকে জরিমানা

তালায় মেম্বার শাহিদার বিরুদ্ধে ২৪ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন ও ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি

  • শামীম খান
  • আপডেটের সময়: ০৮:১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ২৩২ সময় দেখুন

সাতক্ষীরার তালা সদর ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যা (মেম্বার) শাহিদার বিরুদ্ধে ১০৮ জন গ্রাহকের প্রায় ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৮০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টায় তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মেম্বার শাহিদা পূর্বে পপুলার হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড-এর কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ১০৮ জন গ্রাহকের কাছ থেকে বিমা ও সঞ্চয়ের নামে মোট ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৮০০ টাকা সংগ্রহ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে গ্রাহকরা তাদের জমাকৃত অর্থ ফেরত পাননি।
ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বারবার যোগাযোগ করা হলেও বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে। প্রায় ১০ মাস আগে মেম্বার শাহিদা টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়ে চেক ও স্ট্যাম্প প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত অধিকাংশ গ্রাহক তাদের পাওনা বুঝে পাননি। এতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ক্ষতি ও মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট মেম্বারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত ১০৮ জন গ্রাহকের সম্পূর্ণ অর্থ দ্রুত ফেরত এবং প্রয়োজনে তাকে সদস্য (মেম্বার) পদ থেকে অপসারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও আহ্বান জানান তারা।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
ক্ষতিগ্রস্ত ১০৮ জন গ্রাহকের পক্ষে স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন মোঃ আরিজুল ইসলাম মালী। এ সময় অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় পোস্ট

বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের শেকড় সাতক্ষীরার তালার উথালী গ্রামে, মহালয়ায় আলোচনায় পৈতৃক ভিটা

তালায় মেম্বার শাহিদার বিরুদ্ধে ২৪ লাখ টাকার আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন ও ইউএনওর কাছে স্মারকলিপি

আপডেটের সময়: ০৮:১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরার তালা সদর ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্যা (মেম্বার) শাহিদার বিরুদ্ধে ১০৮ জন গ্রাহকের প্রায় ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৮০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) সকাল ১১টায় তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিক্ষোভকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মেম্বার শাহিদা পূর্বে পপুলার হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন সঞ্চয় ও ঋণদান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড-এর কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ১০৮ জন গ্রাহকের কাছ থেকে বিমা ও সঞ্চয়ের নামে মোট ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৮০০ টাকা সংগ্রহ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে গ্রাহকরা তাদের জমাকৃত অর্থ ফেরত পাননি।
ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বারবার যোগাযোগ করা হলেও বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়েছে। প্রায় ১০ মাস আগে মেম্বার শাহিদা টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়ে চেক ও স্ট্যাম্প প্রদান করলেও এখন পর্যন্ত অধিকাংশ গ্রাহক তাদের পাওনা বুঝে পাননি। এতে তারা দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ক্ষতি ও মানসিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত, অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট মেম্বারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত ১০৮ জন গ্রাহকের সম্পূর্ণ অর্থ দ্রুত ফেরত এবং প্রয়োজনে তাকে সদস্য (মেম্বার) পদ থেকে অপসারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও আহ্বান জানান তারা।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
ক্ষতিগ্রস্ত ১০৮ জন গ্রাহকের পক্ষে স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন মোঃ আরিজুল ইসলাম মালী। এ সময় অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহক ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।